গণভোট শুরু হতে বাকি
গণভোটও এক ধরনের ভোট বা নির্বাচন।
অন্যান্য নির্বাচনে প্রার্থী থাকে, কিন্তু গণভোটে কোনও প্রার্থী নেই।
গণভোটে ভোট দিতে হয় কিছু প্রস্তাবের পক্ষে অথবা বিপক্ষে "হ্যাঁ" অথবা "না" ভোট প্রদানের মাধ্যমে।
গণভোটে "হ্যাঁ" বিজয়ী হলে রাষ্ট্র চালানোর পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট জনগণ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল সেটা পূরণের রূপরেখা বাস্তবায়ন করা।
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় প্রণীত "জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫" এর গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণ করা।
রাষ্ট্রের সংস্কার ও চরিত্র বদলের জন্য অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ রয়েছে, যা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের দীর্ঘদিনের আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত করা হয়।
দেশের মালিকদের একজন হিসাবে আপনার ইচ্ছেরও যে মূল্য আছে তা নিশ্চিত করা।
জুলাই গণঅভ্যূত্থানের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করা।
আপনার নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যাতে আপনার ওপর ছড়ি ঘোরাতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা।
সামগ্রিকভাবে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
রাষ্ট্রের সংস্কার ও চরিত্র বদলের লক্ষ্যে সাংবিধানিক সংস্কারের ১১টি মূলভিত্তি
সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষারও সাংবিধানিক স্বীকৃতি হবে।
"আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে নিম্নলিখিত সাংবিধানিক সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?"
মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে।